মোজারেলা চিজ
ফাস্টফুড জাতীয় খাবারে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ মোজারেলা চিজ!
এমিনেন্ট এগ্রি ইন্ডাস্ট্রিজ এর জন্ম ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলায় । জনাব হুমায়ুন রেজা এই মহান উদ্যোগটির কর্ণধার । গোড়ার দিকে এটি HADS নামক এন.জি.ও দ্বারা পরিচালিত একটি প্রকল্প ছিল। প্রকল্পটির মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল পল্লী কৃষকদের দুগ্ধ এবং কৃষিজাত পণ্যগুলির বিকাশ সাধনের মাধ্যমে তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করা। জনাব হুমায়ুন রেজা উক্ত এনজিওর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।
পরবর্তীতে ২০১০ সালে চীজ এর গুণগত মান উন্নয়ন , উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎপাদনে সরাসরি তদারকি করতে সালান্দর , ঠাকুরগাঁওয়ে নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ পৃথক একটি কারখানা তৈরী করা হয়।
কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করার শুরুর দিকের সময়ে অর্থাৎ ১৯৯২ সালে গরুর দুধের বাজার মোটেও ভাল ছিল না। সেই সময়ে ঐ অঞ্চলে দুধের মূল্য ছিল বোতলজাত পানির তুলনায় অনেক কম । সুতরাং তখন প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পন্য সামগ্রী উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে ঐ অঞ্চলের ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও ভূমিহীন দুগ্ধ উৎপাদনকারী কৃষকদের গরুর দুধকে ন্যায্য দামে বিক্রি করতে সহায়তা করা। দুধ এর বাজার তৈরী করতে দুধ দ্বারা চীজ উৎপাদন করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৯২ সালে ডেনমার্ক থেকে উক্ত বিষয়ে অভিজ্ঞ দুজন শিক্ষানবীশ এনে তিন জন মহিলাকে মোজারেলা চীজ তৈরির প্রশিক্ষণ দিয়ে চীজ উৎপাদন শুরু করা হয়। ১৯৯৮ সালে ডেইলি ষ্টার পত্রিকায় এর বিজ্ঞাপন দেয়া হয় এবং সোনারগাঁও হোটেল এ
৫০ কেজি চীজ দিয়ে প্রথম বিক্রয় শুরু হয়।
দাবি করা যায়, এটিই বাংলাদেশের প্রথম মোজরেল্লা চীজ উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান । পরবর্তীতে ২০০৩ সালে উৎপাদন ও বিক্রয় বৃদ্ধির লক্ষে এবং ব্যাংক ঋণ এর জন্য জনাব হুমায়ুন রেজা এমিনেন্ট এগ্রি-ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি যৌথ স্টক কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এর আওতায় নিবন্ধিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। চীজের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি ঘি, মাখন, দই ও বিভিন্ন কৃষিজাত পন্য বিক্রি করে থাকে।